ঢাকাশনিবার , ২৬ মার্চ ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভোলায় মটর সাইকেল গতি রোধ করে হত্যার চেষ্ঠা ও নগত টাকা সহ স্বর্ণ ছিনতাই।

নিউজ রুম
মার্চ ২৬, ২০২২ ১:০৩ অপরাহ্ণ । ২৭৩ জন
Link Copied!
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ বাবুল রানাঃ

ভোলার সদর উপজেলার ১১নং ভেদুরিয়া ইউনিয়নের বান্দের পাড় এলাকায় রাকিক নামে এক যুবকের মটর সাইকেল গতিরোধ করে হত্যার চেষ্ঠা সহ নগদ টাকা ও স্বর্ণ ছিনতাই করারা অভিযোগে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা।

রবিবার ২০শে মার্চ ভোলা সদর উপজেলার ১১নং ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বান্দের পাড় এলাকায় রাত আনুমানিক ১০টার সময় এইঘটনা ঘটে। রাকিব তার নিজ বাড়ি থেকে তার খালা নানুকে সহ তার নানার বাড়িতে আসার সময় ছিনতাই কারি দল রাকিবের মটর সাইকেলের গতিরোধ করে রাকিব সহ তার খালা নানু কে মারপিট শুরু করেন। তখন তারা ডাক চিৎকার চেচামেচি করলে রাকিবের বাবা ভাই আসেন। পরে তাদের কে সহ ৬ জন কে পিটিয়ে আহত করে নগর ৬০ হাজার টাকা ও ১৮ আনা স্বর্ণ নিয়ে যান। মোঃ হাসান (২৪) পিং – রুস্তুম আলী মৃধা। মোঃ লিটু (৪৩) পিং – মৃত আআকব্বর মৃধা । মোঃ তুহিন (২১) পিং – রুস্তুম আলী মৃধা। জহির (৪৪) পিং মৃত আকব্বর আলী মৃধা। রুস্তুম আলী মৃধা (৫২) পিং – মৃত আকব্বর আলী মৃধা। পরে তাদের কে স্থানীয় লোকজন এসে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে চিৎকিসার জন্য ভর্তি করেন।

রাকিবের বাবা জসিমের সাথে কথা বলে যানাযায়, তার ছেলে রাকিব কে হাসান বাহীনির দলে যোগ দিতে বলেন রাকিব তাদের দলে যোগ না দেওয়ার অপরাধে বিভিন্ন সময় তার পথ আটকিয়ে ভয় দেখান। বিষয়টি স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যান সহ অনেকের কাছে জানানো হয়। পরে ছিনতাই কারি দলটি রাকিবের উপর আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তিন বার হামলা করেন, প্রায় মাঝে মধ্যে চাঁদা দাবি করে আছেন রাকিবের কাছে। রবিবার ২০ মার্চ বাসা থেকে রাকিব তার চাকরির জন্য নগত ৬০ হাজার টাকা নিয়ে তার নানু ও খালার সাথে তার নানা বারিতে যাবার পথে তাদের মটর সাইলেক গতি-রোধ করে তাদের উপর হামলা করেন তখন তারা ডাক চিৎকার চেচামেচি করেন তখন তাদের ডাক চিৎকার চেচামেচির শব্দ পাই তখন তার ছোট ছেলে শাকিব সহ তাদের কাছে পৌঁছালে তারাও হামলার শিক্ষার হন। এ বিষয়টি নিয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সি আর মামলা নং ১৪৪।

রাকিব অভিযোগ করে বলেন, প্রায় মাঝে মধ্যে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছেন হাসান বাহীনির ছিনতাই কারি দল-টি, চাঁদা দিতে রাজি না হলে ৩-বার তার উপর হামলা করেন, বিষয় টি স্থানীয় নেতাদের কাছে জানিয়ে বিচার চান রাকিবের পরিবার। স্থানীয় নেতারা বিষয়টি আমলে না নেওয়ার কারনে তার উপর আরো ক্ষিপ্ত হয়ে পরেন। রবিবার নিজ বাড়ি থেকে চাকরির জামানতের জন্য ৬০ হাজার টাকা নিয়ে তার খালা নানু সহ আশার পথে ঐ এলাকার হাসান বাহীনির ছিনতাই কারি দল তাদের পথ আটকিয়ে হত্যার উদ্দ্যেশে এলোপাতারি মারপিট শুরু করেন। এ সময় আহত হন রাকিব, শান্ত, শাকিব, জসিম, বিবি রহিমা, আছমা ও নাছিমা।

রাকিবের খালা আছমা জানান তার উপর হামলা করা ছিনতাই কারি দলটি ঐ এলাকায় বিভিন্ন সময় অপরিচিত অনেকের কাছ থেকে নগত টাকা স্বর্ণ মোবাইল রেখে দিয়েছেন। তার বোনের ছেলেকে হত্যার জন্য রবিবার রাত তাদের উপর দলটি অতর্কির ভাবে হামলা চালিয়ে তাদের সাথে থাকা নগত ৬০ হাজার টাকা, একটি ২২ ক্যারেটের ১৮ আনা ওজনের চেন ও ২১ ক্যারেটের একটি ৪ আনা অজনের আংটি নিয়ে জান।

স্থানীয় সূত্রেঃ যানাযায় দিন দিন ছিনতাই কারি দলটি উপ্তত হয়ে উঠেন, স্থানীয় ভাবে তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় তাদের হাতে হামলার শিক্ষার হয়েছেন অনেক পরিবার। এলাকায় অপরিচিত কোন ব্যক্তিকে দেখলে তাদের কে মাদক ব্যবসায়ী বলে এলাকায় মাদক আদান প্রধান করার অপবাদ দিয়ে তাদের কে ভয় দেখিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল রেখেদেন। এলাকায় বিভিন্ন অপরাধের সাথে ঝড়িয়ে পরছেন, ছাত্রদের কে অপরাধের সাথে ঝোড়ানো জন্য বাদ্ধ করেন।

অভিযক্ত ব্যাক্তিদের সাথে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করলে তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভাব হয়নি।

ভেদুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দুলাল জানান তিনি বরিশাল ছিলেন ২০-মার্চ রাত তার এলাকায়র বান্দের পাড় একটি হামলার ঘটনা ঘটেছে এমন এক সংবাদ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শুনেছি, বরিশাল থেকে এসে সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি সত্য বলে জানতে পারেন। তিনি আরো জানান যাদের উপর অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে এমন ঘটনার আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে তবে এমন ঘটনার সাথে তারা জড়িত আছেন বলে জানান।

বেদুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ইউপি সদস্য মোস্তফা জানান, হামলার ঘটনার বিষয়টি উভয় পক্ষ তাকে জানিয়েছেন আদালতে উভয় পক্ষের মামলা হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও ছিনতাইর অভিযোগ করা হয়েছে বিষয়টি কতটা সত্য তা এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। এমন ঘটনার সাথে কেউ জড়িত থাকলে সাংবিধানিক অনুযায় তার বিরুদ্ধে আইন-গত সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

ভোলা সদর মডেল থানার ইনচার্জ অফিসার এনায়েত উল্লাহ্যর সাথে মোটু ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করলে মোবাইল ফোনটি বন্ধ থাকার কারনে তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভাব হয়নি।

 

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকার বাহিনীর অপরাধীদের কে আইনের আওতা এনে সাধারণ মানুষ শান্তি ভাবে বসবাস করার সুযোগ করে দিবেন এমনটাই প্রত্যাশা রাকিব ও তার পরিবার সহ স্থানীয় সচেতন মহল।

%d bloggers like this: