ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভোলায় সদর হাসপাতালে ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের দৌরাত্ব বন্ধে অভিযান করেন সিভিল সার্জন ও তত্বাবধায়ক

নিউজ রুম
ডিসেম্বর ৭, ২০২৩ ৪:৪৮ অপরাহ্ণ । ২৫ জন
Link Copied!
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এ.সি.ডি.অর্জুন, ভোলা বঙ্গ নিউজ।।

সরকারি স্বাস্থ্য সেবা পাওয়া প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। আর সেই অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষে সরকার দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলার সরকারি হাসপাতাল গুলোতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের ব্যবস্থা চালু রাখলেও বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিরা অসময়ে চিকিৎসকের কক্ষে ভিড় করার ফলে প্রতিদিন অসংখ্য সেবা প্রত্যাশী রোগি সরকারের বিনামূল্য দেয়া স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে বুধবার(৬ ডিসেম্বর) ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রদানের সময় চিকিৎসকের কক্ষে যখন তখন রিপ্রেজেন্টেটিভদের প্রবেশের বিরুদ্ধে এক ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন ভোলা জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ কে এম শফিকুজ্জামান ও হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ মুহাঃ মনিরুল ইসলাম। এ সময় প্রায় ৩০ জন ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধির ভিজিটিং ব্যাগ জব্দ করেন সিভিল সার্জন ও তত্বাবধায়ক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন বলেন, “আমি ও তত্বাবধায়ক মহোদয় দুপুর ১২.২২ টায় সদর হাসপাতালের ২য় তলায় বহিঃর্বিভাগ ভিজিট করতে গেলে দেখতে পাই যে, ডাক্তার চিকিৎসা সেবা প্রদানকালে প্রায় ২৫-৩০ জন ওষুধ কোম্পনীর লোক ডাক্তারদের ভিজিট করছেন এবং রোগির প্রেসক্রিপশনের ছবি তুলছেন, যা সম্পূর্ণ আইন পরিপন্থী। অথচ তাদের ভিজিট করার নির্ধারিত সময় হলো সপ্তাহে দুই দিন দুপুর ১ টা থেকে ২ টা পর্যন্ত ১ ঘন্টা। আমরা তৎখনাত এই অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি এবং কোম্পানীর লোকদের ভিজিটিং ব্যাগগুলো জব্দ করি। ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের সংগঠন ফার্মাসিটিক্যালস্ রিপ্রেজেন্টেটিভ এসোসিয়েশন(ফারিয়া)’র ভোলা শাখার সাধারন সম্পাদক মোঃ পলাশ সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের অনুরোধে প্রায় ৩ ঘন্টা পর “অনুরুপ অন্যায় ভাবে ভবিষ্যতে ভোলা সদর হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবায় তারা কোনরুপ বিঘ্ন ঘটাবেনা” মর্মে লিখিত ভাবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া পর তাদের ব্যাগ গুলো ফেরত দেয়া হয়”। ডাক্তাররা সুযোগ না দিলে কোম্পনীর লোক কিভাবে সুযোগ পায় এমন প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন বলেন, “হ্যাঁ আমরা ডাক্তাররাও এ বিষয়ে যেনো আরো সতর্ক হই সে সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে”। দালালদের সম্পর্কে তিনি বলেন, “হাসপাতালে সার্বক্ষনিক দালালদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার জন্য মোঃ মুছা নামে নতুন একজন পুলিশ সদস্যকে দায়ীত্ব দিয়েছেন ভোলার পুলিশ সুপার মহোদয়। আমারা আশা করি তার সহযোগিতায় হাসপাতালে দালালদের সকল রকম দৌরাত্ব বন্ধ করতে সক্ষম হবো”।

এ সময় ডাঃ শাকিল ও পুলিশ সদস্য মুছা সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য দুপুর ১ টা পর্যন্ত হাসপাতালে রোগীদের সেবা প্রদান কালে কোন ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধি চিকিৎসকের সাথে সাক্ষাত করা নিষেধ সত্বেও রোগিদের সেবা থেকে বঞ্চিত রেখে প্রতিদিন যখন তখন কোম্পানীর লোক ডাক্তারের রুমে প্রবেশ করেন।

%d bloggers like this: