ঢাকারবিবার , ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩
  • অন্যান্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাদক সেবনে এবং জুয়া খেলায় বাঁধা দেওয়াই কাল হয়েছে কামাল মিয়ার – চেষ্টা চলছে সম্পদ আত্মসাতের !

নিউজ রুম
ডিসেম্বর ২৪, ২০২৩ ৬:২৬ অপরাহ্ণ । ২৪ জন
Link Copied!
সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ভোলা বঙ্গ নিউজ।।

মাদক জুয়া নেশা, তিনটির অবৈধ জটিল এবং কঠিন ব্যবহার জানেন ভোলার কাঁঠালি বৃদ্ধ নিবাস এলাকার বাসিন্দা মামুন মিয়া, জামাল মিয়া ও খাজা মিয়া। মিয়া পরিবারের সুসন্তান যখন কুসন্তানে পরিনত হয় তেমনটাই হল এই মামুন। দেহ ব্যবসা থেকে শুরু করে বাড়ির ভেতরে অবৈধভাবে যুয়ার আসর বসে প্রতিরাতে। এ পর্যন্ত মামুন মিয়ার বিবাহিত স্ত্রী রয়েছে ৫ জন। এদের দ্বারাই পরিচালিত হয় তার বিভিন্ন দেহ ব্যবসা ও মাদক ব্যবসা ও সুদ ব্যবসা।নিজের বোনদের ঠকিয়ে আত্নসাত করেছে বাবার রেখে যাওয়া কোটি কোটি টাকার সম্পদ। সেই সম্পদ নিজাম হাসিনা ফাউন্ডেশনের চেয়্যারম্যান নিজাম মিয়ার কাছে বিক্রি করে রাতারাতি কোটিপতি।সেই অর্থ বলে প্রতিনিয়ত স্থানীয় অসহায় মানুষদের উপর নির্যাতন চালায় এই মামুন মিয়া। প্রশাসনের কতিপয় ব্যক্তিদের পুকুরের বড় মাছ দিয়ে তার ৫ বউয়ের সেবাযত্নে মন ভরিয়ে দেয়াতে এই মামুন মিয়ার তুলনা হয়না। প্রশাসনের কতিপয় কিছু ব্যাক্তিদের প্রতিনিয়ত দেখা মিলে গভীররাতে তার বাড়িতে। তাদের ভয় দেখিয়ে পরিবারের অন্যন্য ভাইবোনদের বিভিন্ন ভাবে ভয় দেখিয়ে দখল করে নিচ্ছে তাদের বাবার রেখে যাওয়া সম্পদ। প্রতিবাদ করলে নাকি পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দিবে। এই ভয়ে ভাই বোনেরা কেউই মুখ খুলতে নারাজ। তার উপরেও রয়েছে মহিলা কাউন্সিলর রাজিয়া সুলতানার সেল্টারে চলছে মামুনমিয়ার অবৈধ কর্মযজ্ঞ। বিভিন্ন সময় প্রশাসনের কাছে ধরা খেলে তবে স্থানীয়রা জানান বিভিন্ন সময় অবৈধ কর্মকান্ডের জের আটক হলেও অর্থের বিনিময়ে পার পেয়ে যাচ্ছে মামুন মিয়া। তবে থেমেনেই তার অবৈধ কর্মকান্ড।

২০১৯ সালের ৫ ই আগষ্ট হোটেল আফরোজ থেকে জুয়া খেলার পরিচালনা মূল হোতা হিসেবে মামুন মিয়াকে আটক করে ভোলা সদর থানা পুলিশ। আদালত থেকে জামিন পেলেও অপরাধ কর্মকান্ড চলমান রয়েছে তার। তবে বিষয়টি উদ্ধৃতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছে একাধিক ভুক্তভোগিরা। ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনির হোসেন মিয়া জানান লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাজিয়া সুলতানার স্বামী জামাল মিয়া কমিশনারের ক্ষমতা বলে চালিয়ে যাচ্ছে কাঠালীর নিজ বাড়িতে বসে মাদকের রমরমা বানিজ্য। এসব কিছুই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বলা হয়েছে ।

এমনই এক অভিযোগ করেছেন অভিযুক্তদের বড় ভাই কামাল মিয়া। শুধু এটুকুই নয়, এবার মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করায় অভিযোগ কারি কামাল মিয়ার অর্থ আত্মসাতে মরিয়া হয়ে পড়েছে অভিযুক্তরা।২৩ ডিসেম্বর শনিবার জমির হিসেব বুঝে নিতে অভিযুক্তদের কাছে অনুরোধ করে কামাল মিয়া, তবে মাদক সেবনে বাধা দেয়া এবং উপরমহলে বিষয়গুলো জানানোর কারণে আগে থেকেই কামাল মিয়ার ওপর জোরালক্ষীপ্ত অভিযুক্তরা । এরপর কথার এক পর্যায়ে বেধড়ক মারধর করেন অভিযোগ কারী কামালকে ।

হয়তোবা সব কিছু মহিলা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের গভীর ক্ষমতা বলে প্রয়োগ করছেন অভিযুক্তরা। ঘটনায় ২৩ ডিসেম্বর মারধরের পর ভোলা সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন হামলার শিকার হওয়া কামাল মিয়া । স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে বিচার কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করার আশ্বাস দিয়েছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মনির হোসেন মিয়া ।

এছাড়াও এ ঘটনায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছেন বলে ও জানিয়েছেন জেলা পুলিশের কর্মকর্তা৷

%d bloggers like this: